ইসলামে হজের বিধান (কিস্তি ২)

হাদীসে নববীতে হজ্জের বর্ণনা

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-

الحج المبرور ليس له الجزاء إلا الجنة-

অর্থঃ মাকবুল হজ্জের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।

من حج ولم يرفث ولم يفسق- رجع كيومِ ولدت أمه-

অর্থঃ যে ব্যক্তি অশ্লীল কোনো কর্মকান্ড এবং ঝগড়া-বিবাদ অথবা পাপাচারিতা থেকে বিরত থেকে হজ্জ আদায় করলো, সে হজ্জ থেকে এমনভাবে প্রত্যাবর্তন  করে, যেনো তাঁর মা তাঁকে এই মাত্র প্রসব করলো।
(সহীহুল বুখারী; সহীহ মুসলিম)

হজ্জ আদায় করার সময়

হিজরী বর্ষের শেষ ৩ মাস তথা শাওয়াল, জিলকদ এবং জিলহজ্জকে হজ্জের মাস বলা হয়। তবে ৮ যিলহজ থেকে ১২ যিলহজ পর্যন্ত পাঁচ দিন হজের মূল সময়। ১৩ যিলহজেও কিছু মুস্তাহাব আমল রয়েছে। হজ্জের সময় সম্পর্কে কুরআনে ইরশাদ হয়েছে-

الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَاتٌ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللَّهُ وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَىٰ وَاتَّقُونِ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ –

অর্থঃ নির্দিষ্ট কয়েকটি মাসকে হজ্জের মাস বলা হয়। যে ব্যক্তি এ মাসগুলোতে হজ্জ আদায় করার নিয়ত করবে, তার জন্য স্ত্রীর সাথে মিলামিশা করা, অশোভনীয় কোনো কাজ-কর্ম করা এবং ঝগড়া-বিবাদ করা জায়েয নয়। আর তোমরা সৎ কর্ম যা কিছুই করো, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই জানেন।
আর হজ্জে গমন করার সময় পাথেয় সাথে করে নিয়ে যাও। নিশ্চয় সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া। সর্বোপরি তোমরা আমরা আমাকে ভয় করতে থাকো হে বুদ্ধিমান লোকেরা!   (সূরা বাকারা-৯৭)

চলবে-ইনশাআল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slieder

Featured Posts
July 2018
M T W T F S S
« Jun   Aug »
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
সর্বসত্ত্ব সত্বাধীকারী- শায়খ আফতাব উদ্দিন ফারুক Ⓒ