ঈমান বিনষ্টকারী ১০টি বিষয়

ঈমান ভঙ্গের সর্বসম্মত ১০টি কারণ নিম্নরূপ
১) আল্লাহর সাথে কাউকে শিরক (শিরকে আকবার) করা। যে ব্যক্তি শিরক করল সে কুফর করল এবং তার ঈমান ভঙ্গ হয়ে গেল।
ইরশাদ হচ্ছে-
لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُوْنَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ
‘অর্থাৎ- ‘‘তাহলে তোমার কর্ম অবশ্য অবশ্যই নিস্ফল হয়ে যাবে, আর তুমি অবশ্য অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অর্ন্তভুক্ত হবে।’’ (সুরা যুমার, ৩৯:৬৫)

২) আল্লাহ ও নিজের মধ্যে কোন মাখলুককে ভায়া বা মাধ্যম সাব্যস্ত করে তাদের কে ডাকা, তাদের নিকট শাফায়াত কামনা করা, তাদের উপর তাওয়াক্কুল করা। যে ব্যক্তি এমন করে সে সর্বসম্মতভাবে কাফির।
যেমন:- মক্কার কাফিররা তাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কিংবা গুণিজনকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম মনে করে তাদের মূর্তি বানিয়ে পূজা করত। তারা বলত:-
مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُوْنَا إِلَى اللهِ زُلْفٰى
অর্থাৎ- ‘‘আমরা তাদের ইবাদত একমাত্র এ উদ্দেশেই করি যে, তারা আমদেরকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দিবে।’’ (সুরা যুমার, ৩৯:৩)
রাসুলগণ আল্লাহ ও বান্দাদের মধ্যে মাধ্যম বটে কিন্তু এর অর্থ শুধু সংবাদ পৌঁছানোর মাধ্যম। পৌত্তলিকদের ধারণাসম্বলিত মাধ্যম তারা নন। অর্থাৎ আল্লাহর কাছে কাউকে পৌঁছিয়ে দেওয়া, কাউকে ওলি বানিয়ে দেওয়া, হেদায়েত প্রদান করা বা নিজ ক্ষমতাবলে কারো জন্য সুপারিশ করা, অথচ কারো ইহ-পারলৌকিক উন্নতি ও মুক্তি পাইয়ে দেয়া সর্ম্পূণভাবে তাদের ক্ষমতার বাইরে। অনেকে মনে করে তাদের কুতুবের হাতে দিওয়ানুস সালেহীন বা ওলিদের দপ্তর রয়েছে। তাদের সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা স্বীয় ক্ষমতায় কারো নাম আউলিয়ার খাতায় তুলেও দিতে পারেন এবং অসন্তুষ্ট হলে তার নাম কেটেও দিতে পারেন। কাউকে আল্লাহর আওলিয়া বানাবার ইখতিয়ার তাদের হাতে। এহেন বিশ^াসে বিস্বাসী কখনও সঠিক ঈমানের ওপর প্রতিষ্ঠিত নেই। (আশ-শিরক ওয়া মাজাহির)
ইরশাদ হচ্ছে,
اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُوْنِ اللهِ
অর্থাৎ ‘আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা তাদের ‘আলিম ও দরবেশদেরকে রব বানিয়ে নিয়েছে।’ (সুরা আত-তাওবা, ৯:৩১)

৩) যে ব্যক্তি মুশরিকদের কাফির মনে করে না অথবা তাদের কাফির হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে অথবা তাদের শিরকি ধ্যান-ধারণা ও মতবাদকে সঠিক বলে বিশ্বাস করে, তবে সে কুফর করল।
ইরশাদ হচ্ছে,
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آَمَنُوْا إِنَّمَا الْمُشْرِكُوْنَ نَجَسٌ
অর্থাৎ হে বিশ্বাসীগণ! মুশরিকরা হল অপবিত্র’’ (সুরা আত-তাওবা, ৯:৩৮)
আজকাল অনেক মুসলমান ইসলামের পাশাপাশি পৌত্তলিকদের ধর্মমতকে সঠিক বলে বিশ্বাস করে, কুরআন শোনার পাশাপাশি তারা গীতা শোনে এবং সঠিক বলে বিশ্বাস করে। আবার অনেকে সর্বধর্মমতে বিশ^াসী। তারা চিন্তা করে সকল ধর্মই সত্য। সব ধর্মেই মুক্তি বিদ্যমান। যে যে ধর্মে থাকবে সে সে ধর্মের মাধ্যমেই মুক্তি পাবে। বাংলাদেশে কোনো কোনো নামধারী পির একথাও ঘোষণা দেওয়ার দুঃসাহস রেখেছে যে, আমার এখানে যে ধর্মেরই লোক আসুক সে তার ধর্মের ওপর থেকেই নাজাতপ্রাপ্ত হবে। বলাবাহুল্য, এহেন বিশ্বাসে নিশ্চয় তাদের ঈমান ভঙ্গ হয়ে গেছে।

৪). যে ব্যক্তি এরূপ বিশ্বাস করবে যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিদায়েতের চেয়ে অপর কারো হিদায়েত অধিক পূর্ণাঙ্গ অথবা রাসুলের দেয়া বিধি-বিধানের চেয়ে অপর কারো বিধি-বিধান অনেক সুন্দর। তবে সে ব্যক্তির ঈমান বিনষ্ট হয়ে যাবে।
আজকাল লক্ষ লক্ষ মুসলিম নামধারী ব্যক্তি এ ধরনের বিশ^াসে লিপ্ত। কেউ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেখে যাওয়া রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি ও আইন বিধানের চেয়ে অন্যদের আবিষ্কৃত এ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে অধিক সুন্দর বলে মনে করছে। ইসলামি জাতীয়তাবাদ, পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের এসব প্রেমিকরা কি প্রকৃত অর্থে মুসলিম থাকতে পারে?
৫). যে ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনিত কোনো জিনিসকে ঘৃণা করবে, সে কাফির হয়ে যাবে। যদিও বাহ্যিক ভাবে সে এর উপর আমল করে।
ইরশাদ হচ্ছে,
ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ كَرِهُوْا مَا أَنْزَلَ اللهُ فَأَحْبَطَ أَعْمَالَهُمْ
অর্থাৎ ‘তা এজন্য যে, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তারা তা অপছন্দ করেছেন, কাজেই আল্লাহ তাদের কর্ম ব্যর্থ করেন।’ (সুরা মুহাম্মদ, ৪৭:৯)
আজকাল অনেক মুসলমানকেই পর্দা, দাড়ি, ইসলামি রাজনীতি, ইসলামি শিক্ষা, আযান ইত্যাদিকে ঘৃণা করতে দেখা যায়। এ ধারাটি এদের উপর প্রযোজ্য।
৬). যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তার রাসুলের দীনের কোন বিষয় বা তার পুরষ্কার বা শাস্তিকে বিদ্রƒপ করবে সে কাফির।
ইরশাদ হচ্ছে-‘বল! তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রাসুলের সাথে বিদ্রƒপ করেছিলে? তোমরা কোন ওজর পেশ করো না। নিশ্চয়ই ঈমানের পর তোমরা কুফর করেছে।’’ (সুরা আ তাওবা, ৯:৬৫-৬৬)
আমাদের দেশের অধিকাংশ নাট্যানুষ্ঠানে খারাপ চরিত্রে অভিনয়ের জন্যে দাড়ি, টুপি ও ইসলামি পোষাককে প্রতীক হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আল কুরআনের কোনো শব্দ বা আয়াত, কোনো ঘটনা প্রসঙ্গে বিশেষ কোনো নবির নাম, কেউ কেউ এমন বিকৃতভাবে উচ্চারণ করে, যাতে বিদ্রƒপ বুঝা যায়। এধরণের বিদ্রƒপ উদ্দেশ্যমূলক হোক বা হাসি-ঠাট্টামূলক হোক উভয়ই কুফর।

৭). যাদু-টোনা করা। যেমন, কাউকে আপোস করার জন্য কিংবা কাউকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য যাদু-টোনা করা। এরূপ যে করবে বা এর উপর যে সন্তুষ্ট থাকবে তার ঈমান বিনষ্ট হয়ে যাবে।
ইরশাদ হচ্ছে-
وَلَقَدْ عَلِمُوْا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَه فِي الْآَخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ
অর্থাৎ ‘যে কেউ যাদু অবলম্বন করে তার জন্যে পরকালে কোনো অংশ থাকবে না।’ (সুরা বাকারা, ২;১০২)
আমাদের সমাজে পারিবারিক সম্পর্কের উন্নতি কিংবা অবনতির ক্ষেত্রে যাদু-টোনার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। স্বামীর মন পাওয়ার জন্য স্ত্রী বা স্ত্রীকে বসে রাখার জন্য স্বামী কর্তৃক যাদু টোনা ও তাবিজ-তুমার করা একটা নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার ছেলে যাতে স্ত্রীর প্রতি আসক্ত হয়ে মা বাবকে ভুলে না যায় সে জন্যও মা-বাবা ছেলের জন্যে যাদু-টোনা করে থাকেন। তেমনিভাবে মেয়ের জামাতাকেও মেয়ের প্রতি সবর্দা আসক্ত রাখার জন্য শাশুড়ীগণ যাদু টোনা করে থাকেন। শত্রুকে ক্ষতিগ্রস্ত করা বা মেরে ফেলার জন্য যাদু টোনার ব্যবহার আমাদের সমাজে খুবই প্রচলিত। যাদু কুফর হওয়ার কারণে এ সব ব্যক্তির মুসলমানিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

৮). মুশরিকদের সাহায্য করা অথবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সহযোগিতা করা।
ইরশাদ হচ্ছে-
وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ
অর্থাৎ ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই একজন।’ (সুরা আল মায়েদা, ৫:৫১)
যেমন, আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী রয়েছে যারা নিজেদের চিন্তা-চেতনা, বক্তব্য ও লেখনী শক্তি দিয়ে পৌত্তলিকদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কেউবা রবীন্দ্রনাথের কবিতা পাঠকে ইবাদততুল্য বলে তার পৌত্তলিক কাব্য সাহিত্যের সহযোগিতা করছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক থেকে মুসলিম লেখকদের লেখাগুলো কমিয়ে বা বাদ দিয়ে মুশরিক লেখকদের লেখাগুলো পাঠ্যপুস্তকের অর্ন্তভূক্ত করে মুসলিম লেখকদের বিরুদ্ধে মুশরিক লেখকদের সাহায্য করছে। আবার কেউবা কোনো অঞ্চলে চুক্তি করে পৌত্তলিকদের লালন ও মুসলমানদের দমন করছে। এসবই স্পষ্ট ও সর্বসম্মত কুফর।

৯). ঐ ব্যক্তি কাফির, যে মনে করে যে, কিছু কিছু মানুষ (চেষ্টা-সাধনা) এমন পর্যায়ে উপনীত হতে পারে যে, তখন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শরীয়ত মান্য করার তার আর প্রায়োজন থাকে না।
এ ব্যাপারে তারা মুসা আলাইহিস সালাম ও খিজির আলাইহিস সালামের ঘটনাকে তাদের এ ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তি হিসাবে গ্রহণ করে। অথচ সে ঘটনার সাথে তাদের এ ধারণার আদৌ কোন সামঞ্জস্য নেই। কেননা, প্রথমত খাজির ‘আলাইহিস সালাম, মুসা আলাইহিস সালাম-এর সম্প্রদায় ও তাঁর নবুয়্যত সীমানার বাইরে ছিলেন। তাই তিনি মুসা আলাইহিস সালামের শরিয়ার অর্ন্তভুক্তই ছিলেন না। অনেক ভ্রান্ত বাতেনি মা’রিফাতপন্থী ব্যক্তিবর্গ নিজেদের রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরিয়ার বাইরে মনে করে। তারা বলে, আমরা তো হাক্বিকাতের মঞ্জিলে পৌঁছে গিয়েছি। অতএব, সাধারণের জন্যে উপযোগী শরিয়ার আনুগত্য করা আমাদের প্রয়োজন নেই। অথচ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
لَایَسْمَعُ اَحَدٌ مِنْ ھٰذِہ  الْاُمَّۃِ یَھُوْدِیٌّ وَلَانَصْرَانِیٌّ ثُمَّ یَمُوْتُ وَلَمْ یُؤْمِنْ بِالَّذِیْ اُرْسِلْتُ بِہ  اِلَّا کَانَ مِنْ اَصْحَابِ النَّارِ (مسلم، مشکاۃ)
অর্থাৎ ‘‘এ উম্মতের কোন ইহুদী ও খ্রিস্টান যদি আমার কথা শোনে, অতপর আমার উপর ঈমান না আনে, তবে সে জাহান্নামিদের অর্ন্তভুক্ত হবে।’ (সহিহ মুসলিম, মেসকাত-১২)
আল্লাহ তায়ালা তারঁ সর্বশ্রেষ্ঠ ওলী ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলেন-
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ
অর্থাৎ ‘আর তোমার রবের ‘ইবাদত করতে থাক তোমার সুনিশ্চিত ক্ষণের (অর্থাৎ মৃত্যুর) আগমন পর্যন্ত।’ (সুরা আল হিজর, ১৫: ৯৯)
সুতরাং বুঝা গেল, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কারো জন্যেই রাসুলের শরিয়ার বাইরে যাওয়ার বিন্দু পরিমাণ সুযোগ নেই।
১০). আল্লাহর দীন (জীবন-বিধান) থেকে এমন ভাবে মুখ ফিরিয়ে রাখা যে, তা শেখেও না, আমলও করে না, এমনকি তার প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপও করে না। এর দ্বারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ইসলাম অনুসরণ রুদ্ধ হয়ে যাবে। এবং সে হয়ে যাবে মুরতাদ। ইরশাদ হচ্ছে-
وَالَّذِيْنَ كَفَرُوْا عَمَّا أُنْذِرُوْا مُعْرِضُوْنَ
অর্থাৎ ‘‘ কিন্তু কাফিরগণ, যে বিষয়ে তাদেরকে সর্তক করা হয় তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।’’ (সুরা আহক্বাফ, ৪৬:৩)
আমাদের দেশে এমন লোকের অভাব নেই। অনেকে আছেন কয়েকটা ডিগ্রী লাভ করেও অজুটি ঠিকমত করতে পারেন না। জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেন, ফজরের সালাত বার রাকাত। অনেকে পূজাম-পে বা আশ্রমে গিয়ে সুপ্রসন্ন ও সন্তুষ্টচিত্তে ওম্ শান্তি, ওম্ শান্তি- অভিবাদন করে, শঙ্খ ধ্বনির অভিনন্দন গ্রহণ করে পৌত্তলিকদের হাতের প্রসাদ গ্রহণ করে। এমনও অনেক বিষয় আছে যা আমাদের দেশে উদারতার নামে, সম্প্রীতির দোহায় দিয়ে দিব্যি চলে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের হুশই ফিরছে না যে এহেন অবস্থায় আমাদের ঈমানের কী অবস্থা হয়। এমনকি তারা জানারও চেষ্টা করছে না এ বিষয়ে ইসলামের বিধান কী?
দীন সম্পর্কে এমন জড়বস্তুতা, নির্বিকার মনোভাব এবং একেবারেই মুখ ফিরিয়ে রাখার আরেক নাম কুফর। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। (আমিন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

slieder

Featured Posts
August 2018
M T W T F S S
« Jul   Sep »
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
সর্বসত্ত্ব সত্বাধীকারী- শায়খ আফতাব উদ্দিন ফারুক Ⓒ